বাংলাদেশের বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন, পাওয়া যাবে আড়ংয়ে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ওমানে বাছাই পর্ব খেলা শেষে বাংলাদেশকে খেলতে হবে মূল পর্ব বা সুপার টুয়েলভ ৷
 
ক্রিকেটাররা মাঠে খেলবেন ১১ জন৷ তাদের সঙ্গে থাকবে গোটা বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জার্সি ছাড়া কি আর সমর্থন সম্ভব? মোটেও না। ক্রিকেটাররা যে জার্সি পরে মাঠ মাতাবেন সেই জার্সি এবার পাওয়া যাবে। আড়ংয়ের প্রতিটি আউটলেট এবং তাদের অনলাইন স্টোরে জার্সি পাওয়া যাবে। বড়দের জার্সির দাম ১৪০০ টাকা। ছোটদের জার্সি পাওয়া যাবে ১০০০ টাকায়।
 
সোমবার রাজধানীর এক হোটেলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন করা হয়। হোম আ্যান্ড আ্যাওয়ে দুইটি জার্সি উন্মোচন করা হয়।
 
বাংলাদেশের জার্সি তৈরি করে স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টজ। প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে এবারের বিশ্বকাপ জার্সি তৈরি করা হয়েছে। জার্সির সামনের অংশ তৈরিতে যে সুতো ব্যবহার হয়েছে সেটি রিসাইকেল জ্যাকার্ড ফেব্রিক নামে পরিচিত। যেটি প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তৈরি। সামনে ও পেছনের অংশ আলাদা। পেছনের অংশ বানানো হয়েছে ম্যাশ ফেব্রিক থেকে। যেটাতে বাতাস আসা যাওয়ার (এয়ার সার্কুলেশনের) ব্যবস্থা আছে। আরব আমিরাতের গরমের কথা বিবেচনা করেই এমন জার্সি। কাঁধের অংশ লালের আবহ আর পুরোটা জুড়ে সবুজ।
 
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জার্সিটি হচ্ছে রেট্রো জার্সি। ২০০৪-২০০৫ সালের জার্সি থেকে আইডিয়া নিয়ে এটি বানানো, তবে পুরোপুরি হুবহু নয়।
 
সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছেন, ‘আমরা যখন ক্রিকেট খেলতাম, তখন কোচরা আমাদের ব্যাট ও বল নিয়েই চিন্তা করতে বলতো। বর্তমান ক্রিকেটে খাবার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, জার্সিও তেমন গুরুত্বপূর্ণ। যত স্বস্তিদায়ক জার্সি পাওয়া যায়, ততোই আমদের জন্য ভালো।’
 
ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ম্যানিজিং ডিরেক্টর তামারা হাসান আবেদ বলেছেন,' ১৩ অক্টোবর থেকে আড়ংয়ের আউটলেটে জার্সি পাওয়া যাবে। ১১ অক্টোবর থেকে প্রি অর্ডার নেওয়া হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যেও জার্সি পাওয়া যাবে। জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করে আয় হলে আমরা ব্র্যাকের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।'

খেলা এর আরো খবর