বিশ্ববাসী ‘রিং অব ফায়ার’ দেখবে বৃহস্পতিবার

বৃহস্পতিবার বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চলে আসবে চাঁদ। ফলে গ্রহণে ঢাকা পড়বে সূর্য।
 
তবে কেবল একটা বলয় দৃশ্যমান থাকবে। অন্ধকারে ঢাকা পড়বে সূর্যের প্রায় ৯৪.৩ শতাংশ। একে বলে ‘রিং অব ফায়ার’। আকাশের কোলে এক মহাজাগতিক সৌন্দর্য বিচ্ছুরণ করবে। রাশিয়া, কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও উত্তর মেরু থেকে দেখা যাবে আগুনের বলয়। এর মধ্যে গ্রিনল্যান্ড থেকেই গ্রহণের চূড়ান্ত দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যাবে।
 
এ ছাড়া ইউরোপ ও এশিয়ার উত্তরাংশ থেকেও গ্রহণ দেখা যাবে। তবে সেখানে আংশিকভাবেই তা দেখা যাবে। দক্ষিণ আমেরিকা, এন্টার্কটিকার বিভিন্ন প্রান্ত ও প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের কিছু অঞ্চল থেকে সেটা দৃশ্যমান হবে। সাধারণভাবে সূর্যের খণ্ড গ্রাস, পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ছাড়াও এই বলয়গ্রাস গ্রহণ দেখা যায়। এ বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ হতে পারে আগামী ৪ ডিসেম্বর। সেটি হবে পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ।
 
মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজে বলা হয়, এই সূর্য গ্রহণ বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ঠিকভাবে দেখা যাবে না। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ১২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে সূর্যের এই গ্রহণ শুরু হবে। শেষ হবে সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট ১২ সেকেন্ডে। এবারের সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।
 
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানায়, আজকের সূর্যগ্রহণ কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও রাশিয়া থেকে দেখা যাবে। গ্রহণের কক্ষপথ কানাডার উত্তর অন্টারিও এবং সুপিরিয়র হ্রদের উত্তর দিয়ে পার করবে। কানাডায় এই গ্রহণ তিন মিনিট ধরে স্থায়ী হবে।
 
তবে ভারতে সূর্যাস্তের আগে অরুণাচল প্রদেশ ও লাদাখের কিছু অংশে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য এই গ্রহণ দেখা যাবে। অরুণাচলের দিবাং অভয়ারণ্য অঞ্চল এলাকা থেকে এই সূর্য গ্রহণের সামান্য একটা অংশ দেখতে পাওয়া যাবে বিকেল ৫টা ৫২মিনিট নাগাদ। পাশাপাশি, লাদাখে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ৬ টা ১৫ মিনিট নাগাদ। এছাড়া ভারতের আর কোনও জায়গা থেকেই দেখা যাবে না এই বলয় গ্রাস গ্রহণ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরো খবর