নাসিক নির্বাচন
মধ্যরাতে প্রচারণা শেষ, চলছে সমীকরণ

নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে। শেষ মুহূর্তের ভোট নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ। জয়ের জন্য প্রতিনিয়ত নিজেদের মতো করে কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। ভোটারদের মন জয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনে মেয়র পদে জয়-পরাজয়ে নিয়ামক বা ফ্যাক্টর কারা হবেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা নাকি দলীয় প্রতীক, নারী নাকি নতুন ভোটার—কারা নির্ধারণ করবেন নগরপিতা-নগর জুড়ে এমনই আলোচনাই সবার মধ্যে। বিগত দুটি সিটি নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে এত উত্সাহ- উদ্দীপনা দেখা যায়নি। উত্সবের নগরীতে পরিণত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ। নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চলছে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণা। মেয়র পদে সাত জন প্রার্থী থাকলেও সকলের দৃষ্টি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারের দিকে। দুজনেরই কর্মী-সমর্থকদের প্রচার প্রচারণা চলছে সমানতালে। আইভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যদি অবনতির দিকে যায় তাহলে প্রশাসন তো আছেই। নির্বাচনের আগে সমস্যা হতেই পারে। আমি মনে করি, প্রশাসন অত্যন্ত সচেতন। তারা এগুলো দেখভাল করবে। তৈমূর আলম খন্দকারের নেতাকর্মী ও নির্বাচনি এজেন্টের গ্রেফতার প্রসঙ্গে আইভী বলেন, আমি জানি না কাকে কোথায় ধরা হচ্ছে। আমি শুধু শুনেছি বিএনপির এক নেতাকে ধরা হয়েছে তার নামে হেফাজতের মামলা ছিল। আর কাকে ধরা হয়েছে এটা আমি জানি না, আমার জানার বিষয়ও না। এটা প্রশাসন দেখবে। আমি সারা দিন ব্যস্ত, আমি কোনো সহিংসতার সঙ্গে জড়িত না। কাউকে কখনো বলিনি কাউকে গ্রেফতার করেন। আমি শুধু চাই ভোটকেন্দ্র যেন পরিষ্কার থাকে। কোনো সন্ত্রাসী যেন ভোটকেন্দ্রে ঝামেলা করতে না পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার নির্বাচনি প্রচারণাকালে বলেন, পুলিশের কার্যক্রমের কারণে একটা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে জনগণ ভীত না। আমার নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আন্তর্জাতিক দূতাবাসের যারা আছেন, পাশাপাশি মানবাধিকারকর্মী যারা আছেন সবাইকে বলব, আপনারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করুন। কেন আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ যাচ্ছে। শুধু তাই নয় বিএনপি করে না অথচ যারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে তাদেরকেও হয়রানি করা হচ্ছে। তৈমূর আলম বলেন, আমার দলের নেতাকর্মীরা তো নৌকায় ভোট দেবে না। সরকারি দলের নেতাকর্মীদের কমিটি ভেঙে দিচ্ছে। কারণ তারা নৌকার পক্ষে কাজ করছে না। n

রাজনীতি এর আরো খবর