খালেদার জিয়ার চিকিৎসা কেবল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা জার্মানিতে সম্ভব: মির্জা ফখরুল

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকলেও মনোবল শক্ত আছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
 
তিনি বলেছেন, ম্যাডাম গুরুতর অসুস্থ হলেও ওনার মনোবল শক্ত আছে। তবে, খালেদার জিয়ার উন্নত চিকিৎসা কেবল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা জার্মানিতে সম্ভব।
 
মঙ্গলবার রাতে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
 
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ম্যাডামের মনোবল অনেক শক্ত আছেন। তার মনোবলের কারণেই চিকিৎসকেরা আশাবাদী, তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।
 
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিচ্ছেন, কিন্তু এখানে তার আর চিকিৎসা সম্ভব নয়। কালবিলম্ব না করে অবিলম্বে বিদেশে পাঠানো দরকার। ওনার মেডিকেল বোর্ড স্পষ্ট করে বলেছে যে, ম্যাডামকে অ্যাডভান্স চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা জার্মানিতে পাঠাতে হবে। অতি দ্রুত তাকে বিদেশে পাঠানো জরুরি।
 
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের কাছে থেকে সবশেষ তথ্য জেনেছি, ম্যাডামের ফারদার ইম্প্রুভ হয়নি। ভালো কিছুই হয়নি তার। যে জায়গায় ছিলেন, তার অবস্থা এখনো আগের মতোই রয়েছে।
 
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা (বিএনপির) যাব না। এটা পরিষ্কার করে বলছি, আমরা এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাচ্ছি না।
 
খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা জন্য না পাঠালে বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করার ইঙ্গিত করেছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের সংসদ থেকে পদত্যাগের বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্ত। তারা তো বিএনপির সংসদ সদস্য। দল যদি মনে করে, তাহলে তারা পদত্যাগ করবে।
 
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা জন্য বিএনপির পক্ষে থেকে প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হবে কিনা জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে তো আমরা প্রতিটি অনুষ্ঠান থেকে কথাবার্তা বলছি। সেইগুলো তো সরকারের কাছে যাচ্ছে। তবে, প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি।
 
শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, হাফ ভাড়ার দাবি তো যৌক্তিক। আমরা যখন ছাত্র ছিলাম তখন এয়ারে ১১৫ টাকা ভাড়ায় ঢাকা থেকে করাচি গিয়েছি। বাসেও হাফ ভাড়া দিয়েছি।

সর্বশেষ সংবাদ

রাজনীতি এর আরো খবর