সাত দফা দাবিতে শাহবাগ থেকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

দেশের কয়েকটি জেলায় মন্দির-মণ্ডপসহ হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে শাহবাগ মোড় থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী আয়োজিত এ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পৌনে চার ঘণ্টা চলে। দাবিগুলো হলো- হামলার শিকার মন্দিরগুলোর শিগগিরই প্রয়োজনীয় সংস্কার, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ দেওয়া, ‘ধর্ষণ’ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা, জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাসাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও কমিশন গঠন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা এবং জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫ শতাংশ বরাদ্দ করা। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শাহবাগ মোড়ের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা, সাবেক প্রাধ্যক্ষ অসীম কুমার সরকার ও আইন বিভাগের অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল। দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে যোগ দেয় ইসকন বাংলাদেশ। বেলা সোয়া ২টার দিকে জগন্নাথ হলের ছাত্র ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়জিৎ দত্ত বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই- ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দাবিগুলোর বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।’ তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি না মানা হলে এবং এর মধ্যে দেশের কোথাও এ ধরনের হামলা-ভাঙচুর বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেব। জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য আপাতত ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে আমরা আজকের কর্মসূচি এখানেই শেষ করছি।’ পরে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

সংগঠন এর আরো খবর