বুয়েটের আবরার হত্যা মামলার রায় আজ

দুই বছর আগে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। বুয়েট শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের বিপথগামী কিছু নেতাকর্মী ঐ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। বেলা ১২টায় এই রায় ঘোষণা করা হবে বলে ইতিপূর্বে ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
 
এর আগে গত ২৮ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় রায় ঘোষণার জন্য পুনরায় ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়। গত ২৮ নভেম্বর নতুন এই দিন ধার্য করে দিয়েছিলেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।
 
রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আজ ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হবে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি পিপি মো. আবু আব্দুল্লাহ ভুঁইয়া ইত্তেফাককে বলেন, আজ রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। বেলা ১২টায় রায় ঘোষিত হবে।
 
ইমনকে ৫ ঘণ্টা র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদইমনকে ৫ ঘণ্টা র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদ
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তাদেরকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। অভিযুক্তদের মধ্যে ২২ জন কারাগারে রয়েছেন। তিন জন পলাতক রয়েছেন। মামলায় আট জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
 
যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা সকল আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, আবরারের স্বজনরা এখনো কাঁদছে। তার মা যেন বলতে পারেন, ছেলে হত্যায় ন্যায়বিচার পেয়েছি। অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ থেকে খালাস চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। এদিকে আবরারের স্বজনরা রয়েছেন কাঙ্ক্ষিত রায়ের প্রতীক্ষায়। তারা ন্যায়বিচার চেয়েছেন আদালতের কাছে। যাতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত সকল আসামিই সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড পান। 

আইন আদালত এর আরো খবর