শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ

কঠোর বিধিনিষেধে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে মঙ্গলবার ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। রাজধানী ঢাকা ছেড়ে দক্ষিণবঙ্গের হাজার হাজার যাত্রী গ্রামের বাড়ির পানে ছুটে যাচ্ছেন। এতে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাটে ঘাটে ভিড় করছেন তারা। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরি ও ট্রলারযোগে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো যাত্রীরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিমুলিয়ায় ৮ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এ অবস্থায় ফেরি ও যাত্রী পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। এদিকে, রাজধানী থেকে পিকআপভ্যান ও কাভার্ডভ্যানে চড়ে শিমুলিয়া ঘাটে ছুটে আসছেন দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো যাত্রীরা। অনেকে রাজধানীর বাসাবাড়ির মালামাল সামগ্রী সঙ্গে করে ছুটে এসেছেন ঘাটে। বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গের এ নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে চাপ বেড়েছে। কঠোর ‘লকডাউন’ ঘোষণায় রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ছুটে যাচ্ছেন যাত্রীরা। এতে শিমুলিয়া ঘাটে সকাল থেকেই চাপ দেখা গেছে। ঘাটে অপেক্ষায় থাকা যানবাহনগুলো পর্যায়ক্রমে পারাপার করা হচ্ছে। তবে ছোট আকারের যানবাহনের সংখ্যাই বেশি। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে উভয়মুখেই চাপ রয়েছে। সকাল থেকেই যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে শিমুলিয়া ঘাটে। তবে দুপুরের দিকে চাপ কিছুটা কমতে থাকে। বিকেলে পুনরায় যানবাহন ও যাত্রী সাধারণের ভিড় দেখা যায়। ঢাকা ছেড়ে বাড়িমুখো দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা ভিড় করছেন শিমুলিয়া ঘাটে। জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মো. হিলাল উদ্দিন জানান, শিমুলিয়া ঘাটে ৮ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তা ছাড়া মাওয়া চৌরাস্তা থেকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কয়েক’শ যানবাহন আটকা পড়ে আছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সারাদেশ এর আরো খবর