রাজধানীতে রোদের ঝিলিক

উপকূল লণ্ডভণ্ড করে নিস্তেজ হয়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। কিন্তু রেখে গেছে ক্ষতচিহ্ন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হাজারো ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপকূলবাসীদের স্বপ্ন। ঝড়ো বাতাসের চাপে গাছ ভেঙে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি এবং বাতাসে শীতকালীন সবজিসহ রোপা আমন ধান এখন পানির নিচে। শনিবার (৯ নভেম্বর) মধ্যরাতে খুলনার উপকূলে (সুন্দরবনের নিকট দিয়ে) আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত তিনদিন ধরে রাজধানীসহ সারাদেশে আকাশ মলিন ছিল। একই সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস তার সঙ্গী ছিল। তবে গত রোববার (১০ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীতে মেঘের আড়ালে উঁকি দেয় সূর্য। সন্ধ্যা হতে এই সূর্য হারিয়ে যায় তার দিগন্তে। এদিকে, সোমবার (১১ নভেম্বর) ভোরের শুরুতেই পূর্বাকাশে সূর্যের লাল রশ্মি দেখা যায়। এরপর ধীরে ধীরে সূর্য তার রূপ নিতে শুরু করে। মেঘের ছোটাছুটিতে সূর্য একবার তার আলো হারায় আবার ফিরে পায়। তবে সকালের রেশ কেটে যেতেই আকাশও অনেকটা পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। প্রকৃতি সেজেছে তার নিজস্ব রূপে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গত কয়েকদিন বৃষ্টি এবং ঠাণ্ডা বাতাস অব্যাহত ছিল। তবে এর শঙ্কা কেটে যাওয়াতে আকাশ স্বাভাবিক হচ্ছে। এতে তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আর কিছুদিন পর শীত ঋতু শুরু হবে। তাই রাতের তাপমাত্রা কিছুটা নমনীয় থাকতে পারে। নভেম্বরের শেষের দিকে বাংলাদেশ জুড়ে শীত জেঁকে বসতে পারে।

আবহাওয়া এর আরো খবর