ঘুরে দাঁড়ানো ম্যাচ

বার্সেলোনার বিপক্ষে রোমা ঘরের মাঠে রূপকথার সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ দিন পরে উঠেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে। সম্ভব করেছে প্রায় অসম্ভব কাজ। বার্সা কোচও বলেছিলেন, 'তারা সেমিফাইনালের দ্বার প্রান্তে আছে। সেই দোর থেকেই বিদায় করে দিল তাদের। কিন্তু এটাই তো আর এমন ঘুরে দাঁড়ানো প্রথম নয়। এমন অসম্ভবকে আরো অনেক দল সম্ভব করেছে। তেমন কয়েকটি ঘুরে দাঁড়ানো ম্যাচের ফলাফল উল্লেখ করা হলো :       বার্সেলোনা-পিএসজি, ২০১৭ শেষ ষোলো প্যারিস থেকে ৪-০ গোলে হেরে এসেছে বার্সেলোনা। শেষ ষোলেতেই বার্সার যাত্রা থেমে যাচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু বার্সা ঘরের মাঠে পিএসজির বিপক্ষ ৬-১ ব্যবধানে জিতে পিএসজিতে বিদায় করে দিল। ম্যাচের ৫০ মিনিটে ৩ গোল দেয় বার্সা। কিন্তু ৮৭ মিনিটের মধ্যে আর গোল তো করতে পারেইনি। বরং একটি খেয়ে বসে। কিন্তু নেইমার ৮৮ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করে, যোগ করা সময় পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়িয়ে এবং ৯৫ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করিয়ে হিসেব মিলেয়ে ফেললেন। বিদায় করে দিলেন পিএসজিকে।  বার্সেলোন-চেলসি, ২০০০, কোয়ার্টার ফাইনল ১৯৯৯-২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালটা ঘরে তুলেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে গল্প লিখেছিল বার্সেলোনা। চেলসির মাঠ থেকে ৩-১ ব্যবধানে হেরে আসার পরে বার্সা ক্যাম্প নূ'তে চেলসিকে ৪-০ গোলে হারায়। উঠে যায় সেমিফাইনালে।  রিয়াল মাদ্রিদ-মোনাকো, ২০০৪, কোয়ার্টার ফাইনাল রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা ক্লাব হতে পারে। কিন্তু অজেয় নয়। এমনকি বড় ব্যবধানে হারার পরও তাদেরকে হারানো যায়। সেটাই ২০০৩-০৪ মৌসুমে দেখিয়ে দিয়েছিল মোনাকে। রিয়াল মাদ্রিদের কাছে প্রথম লেগে ৪-২ গোলে হারে মোনাকো। কিন্তু পরের লেগে ৩-১ গোলে জিতে ৫-৫ সমীকরণ দাঁড় করায় মোনাকো। অ্যাওয়ে গোলের সুযোগ নিয়ে রিয়ালকে বিদায় করে দেয় তারা।  পোর্ত-বায়ার্ন মিউনিখ, ২০১৫, কোয়ার্টার ফাইনাল অসম্ভবকে সম্ভব বায়ার্ন মিউনিখও করেছে। ২০১৪-২০১৪ মৌসুমে পোর্তের মাঠ থেকে ৩-১ গোলে হেরে আসে বায়ার্ন। কিন্তু পরের লেগে নিজের মাঠে পোর্তকে পেয়ে ৬ গোল দিয়ে দেয় মিউনিখ। পোর্ত একটি গোল করলেও সেমিতে যাওয়া আর হয়নি।  ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-জুভেন্টাস, ১৯৯৯, সেমিফাইনাল  ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রথম লেগে জুভেন্টাসের সঙ্গে ১-১ গোলে সমতা করে। কিন্তু দ্বিতীয় লেগের শুরুতেই জুভেন্টাস ২ গোল দিয়ে দিল। জুভেন্টাস যখন ফাইনাল খেলার ক্ষণ গুনছে। তখণ  গোল দেওয়া শুরু করল ম্যান ইউ। শেষ পর্যন্ত জুভদের ২ গোলের বিপরীতে ৩ গোল দিয়ে ফাইনালে উঠে গেল ম্যান ইউ।  সূত্র: উয়েফাডটকম

সর্বশেষ সংবাদ

খেলা এর আরো খবর