প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে নাজমুল হুদার সাধুবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ‘গণতন্ত্রের স্বার্থে শক্তিশালী বিরোধী দল নি:স্বন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ’- এই মন্তব্যটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় জোট তথা বাংলাদেশ ন্যাশনাল এলায়েন্সের (বি.এন.এ) চেয়ারম্যান, সুপ্রীম কোর্টবারের সাবেক সভাপতি  ও প্রক্তন মন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা। 
 
সংবাদ মাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার বলিষ্ঠ অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছেন। এর মাধ্যমে এক দলীয় শাসনের যে আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল সেটি সম্পূর্ণভাবে নাস্যাত করে দিয়েছেন। 
 
ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে উপহাস না করে বরং তাদের অত্যন্ত জনসমর্থন পুষ্ট দল বিএনপিকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়াশ গ্রহণ করা উচিত।
 
বিএনপির তৃণমূল থেকে নিয়ে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত অর্থাৎ ওয়ার্ড কমিটি থেকে নিয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটি পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে ও প্রতিটি পর্যায়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের আন্তরিক ও বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কমিটি গঠনের মাধ্যমে দলের অভ্যন্তরে কোনরুপ দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের সৃষ্টি না হয় এবং ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচিত দলীয় প্রতিনিধিরাই নেতৃত্ব দিতে পারে।
 
পার্টিকে এরুপ অবস্থানে নেওয়ার পরেই যদি প্রধানমন্ত্রী দলটির অগ্রযাত্রায় বা শক্তিশালী করণে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন তাহলেই প্রধানমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যকে উপহাস করার যথার্থতা সৃষ্টি হবে। 
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, বিএনপির প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়ে বলেন, সময় এসেছে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে এর পূর্ণ সদ্বব্যাবহার করা এবং এই সুযোগে বিএনপিকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন করা। 
 
‘মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির যৌথ প্রয়াশেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র সুসংহত হতে পারে, আইনের শাসনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বিচর বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত  হতে পারে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’

সর্বশেষ সংবাদ

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরো খবর