হাইকোর্টে নাজমুল হুদা দম্পতির আগাম জামিন

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ  মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে নাজমুল হুদা নিজেই শুনানি করেন। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আদেশের পর খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হুদা দম্পতির জামিন হাইকোর্ট মঞ্জুর করেছেন। এর আগে ৮ জুলাই চার মাসের মধ্যে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। মামলার বিবরণে জানা যায়, যমুনা বহুমুখী সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মার্গারেট ওয়ান লিমিটেড নিয়োগ পায়। যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালে নাজমুল হুদা ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে তার স্ত্রী সিগমা হুদার মালিকানাধীন খবরের অন্তরালে পত্রিকার ব্যাংক হিসেবে জমা দিতে বলেন। ঘুষের টাকা না দিলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাতিল এবং কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে হুমকি দেন তিনি। পরে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকায় সম্মত হন নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা। ২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মার্গারেট ওয়ানের প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার চেকে ছয় লাখ টাকা জমা করা হয় সিগমা হুদার ব্যাংক হিসাবে।  এই ঘটনায় ২০০৮ সালের ১৮ জুন হুদা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন।

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরো খবর