যে মামলা দুদকের হাইকোর্ট বেঞ্চ বাতিল করে দিয়েছে (কোয়াশ) সেই মামলার তদন্ত নিয়ে কেনো এতো বাড়াবাড়ি?

‘খবরের অন্তরালে’ পত্রিকা যখন সাপ্তাহিক প্রত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হতো সেই সময় বিজ্ঞাপন দিয়ে ছিলেন যমুনা সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মার্গানেট ওয়ান লিমিটেড। ১/১১’র সময় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই বিজ্ঞাপনের বিলকে ঘুষ দেখিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নাজমুল হুদা দম্পত্তির বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক। যাতে বলা হয়- প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে চেকের মাধ্যমে খবরের অন্তরালের ব্যাংক একাউন্টে ঘুষ নেন নাজমুল হুদা। এই মামলাটি উদ্ভট ও অবিশ্বাস্য বিবেচনায় দুদকের এখতিয়ার প্রাপ্ত হাইকোর্ট বেঞ্চ বাতিল করে দেন এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগীয় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা দুদকের লিপ পিটিশন প্রকাশে খারিজ করে দেন। পরে এই দুর্নীতিবাজ প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নাজমুল হুদার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ (দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম (এমপি))’র প্ররোচনায় নেপত্থ্যে এবং নাজমুল হুদার অজান্তে হাইকোর্টের মামলা বাতিল করার আদেশ সেফ এ খারিজ করে দেন। এক বছর পর যখন এই নেপত্থ্যের সিদ্ধান্তটি যুগান্তরে প্রকাশ করা হয় তখন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তড়িঘড়ি করে এই সিদ্ধাতের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন। যে পিটিশনটি তামটি হওয়ার কারণে আপিল বিভাগ খারিজ করে দেন। এর ফলে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। প্রশ্ন হচ্ছে- যে মামলা হাইকোর্ট উদ্ভট এবং অবিশ্বাস্য বলে বাতিল করে দিয়েছে সেই মামলা আপিল বিভাগে দুর্নীতিবাজ প্রাক্তন বিচারপতি সিনহার নেপত্থ্যে অপকর্মের ভিত্তিতে প্রাণ ফিরে পায় কিভাবে? উল্লেখ্য, এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে (এই মামলা সংক্রান্ত বিষয়েই নজমুল হুদার দায়েরকৃত) দুর্নীতি মামলা বর্তমানে দুদকে তদন্তাধিন রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরো খবর