জানাজা শেষে ২৩ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

সাত দিন আগে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দর  বিধ্বস্তে নিহত ২৩ জনের মরদেহে আজ দুপুরে বিমান বাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে দেশে আনা হয়। বিকাল চারটায় ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। বিমানবন্দরে মরদেহগুলো গ্রহণ করেন বিমানমন্ত্রী শাহজাহান কামাল ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজার জন্য মরদেহগুলো নেওয়া হয়। সেখানে নিহতদের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তাঁর সামরিক সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জানাজা শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয় পরিবারের কাছে।

এর আগে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন সরকারের মন্ত্রী, আওয়ামী লীগ নেতা ও সামরিক বাহিনীরা বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দরে বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমান থেকে একে একে ২৩টি কফিনবন্দি মরদেহ বিমান থেকে নামানো হয়। এ সময় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল লাশগুলো গ্রহণ করেন। এ সময় কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সমবেদনা জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’

এর আগে ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিশেষ বিমান নেপালে অবস্থানরত স্বজনদের নিয়ে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুর্ঘটনার পরের দিন ১৩ মার্চ ৪৬ স্বজনকে নিয়ে নেপাল যায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট। তাঁদের আসা-যাওয়া এবং ওখানে থাকার সব ব্যবস্থা করে ইউএস-বাংলা।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলার বিমান। এ সময় ক্রু ও যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী ছিল বিমানে। এদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হয়। অন্য তিন বাংলাদেশির লাশ এখনো শনাক্ত না হওয়ায় নেপাল থেকে নিয়ে আনা হয়নি।

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরো খবর