গাজীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণ মামলার আসামি নিহত

গাজীপুরের টঙ্গীতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)’র সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবু সুফিয়ান নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ২১ মে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে টঙ্গীর মধুমিতা রেললাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবু সুফিয়ান চাঞ্চল্যকর শিশু চাঁদনী (৭) হত্যা ও ধর্ষণের প্রধান আসামি। এছাড়াও তিনি একজন সিরিয়াল ধর্ষক বলে দাবি করে র‌্যাব। র‌্যাব-১’র গাজীপুর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ১৬ মে, শনিবার টঙ্গী মধুমিতা রেলগেট এলাকার একটি ময়লার স্তূপ থেকে চাঁদনী নামের প্রথম শ্রেণির মাদরাসার ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই শিশুকে ধর্ষণের পর গলা টিপে এবং দুই পায়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যা তদন্তে ও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ওই ঘটনায় ১৭ মে, রবিবার অভিযান চালিয়ে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন রেলস্টেশন এলাকা থেকে মো. নিলয় (১৫) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরদিন আদালতে নিলয় ও আবু সুফিয়ান ওই শিশুকে ধর্ষণ করে মর্মে জবানবন্দি দেয়। তদন্তে জানা গেছে, আবু সুফিয়ান আরো ৪ থেকে ৫টি ধর্ষণের ঘটনা সাথে জড়িত।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত নিলয়ের দেয়া তথ্যে র‌্যাব-১ অভিযানে নামে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় সুফিয়ান টঙ্গী মধুমিতা রেললাইন এলাকায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অভিযান চালায় র‌্যাব-১। এ সময় সুফিয়ান র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি বর্ষণ করলে র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে।

তিনি আরো জানান, এ সময় তার বন্ধুরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সিরিয়াল ধর্ষক আবু সুফিয়ানের মরদেহ। এ ঘটনায় এএসআই আতোয়ার ও কনস্টেবল সেলিম নামে দুই র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

মানবাধিকার এর আরো খবর