আইসিজের রায় মানবতার বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজের) রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। একে মানবতার বিজয় এবং সব জাতির মানবাধিকার আন্দোলনকর্মীদের জন্য মাইলফলক হিসাবে বর্ণনা করেছেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের হেগ নগরীতে আইসিজে এই রায় দেয়। বৃহস্পতিবার ইকুয়েডর থেকে ফোনে বাসসকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই…আমার বিশ্বাস মিয়ানমার এই আদালতকে সম্মান জানাবে…তাদের (মিয়ানমার) পক্ষে একে অগ্রাহ্য করা সম্ভব হবে না। হোম জাতীয় ই-পেপার বিনোদন হোম অনলাইন আজকের পত্রিকা ই-পেপার হোম জাতীয় আইসিজের রায় মানবতার বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইসিজের রায় মানবতার বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ২২:৪১ অনলাইন ডেস্ক শেয়ার করুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজের) রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। একে মানবতার বিজয় এবং সব জাতির মানবাধিকার আন্দোলনকর্মীদের জন্য মাইলফলক হিসাবে বর্ণনা করেছেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের হেগ নগরীতে আইসিজে এই রায় দেয়। বৃহস্পতিবার ইকুয়েডর থেকে ফোনে বাসসকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই…আমার বিশ্বাস মিয়ানমার এই আদালতকে সম্মান জানাবে…তাদের (মিয়ানমার) পক্ষে একে অগ্রাহ্য করা সম্ভব হবে না। জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত বৃহস্পতিবার মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ওপর কথিত গণহত্যা বন্ধ করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আদেশ দেয়। আব্দুল মোমেন বলেন, “আন্তর্জাতিক আদালত-আইসিজে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার নৃশংসতা না চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন…এটি তাদের (রোহিঙ্গাদের) স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে আস্থাশীল করবে। ” পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই রায় মিয়ানমারের ওপর বিরাট আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করবে এবং এই রায়ের ভিত্তিতে রাশিয়া এবং চীনও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ দেবে। তিনি বলেন, “রাশিয়া এবং চীন ইতিমধ্যেই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে এবং এই রায় এখন মিয়ানমারকে প্রত্যাবাসনে রাজি করাতে সহায়ক হবে। ” এর আগে এই রায়ের পরপরই এক প্রতিক্রিয়ায় মোমেন বলেন, এটি গাম্বিয়া, ওআইসি, রোহিঙ্গা এবং অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য একটা বিজয়। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এটি মানবতা এবং ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ শেখ হাসিনার জন্য আশীর্বাদ। তিনি বলেন, আদালত ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করেছে, মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও নৃশংসতা বন্ধ করতে বলেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এই রায় বিশ্বে জাতিগত নির্মূলকরণ এবং গণহত্যার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করবে।

মানবাধিকার এর আরো খবর