স্বাস্থ্যবিধি না মানলে টিকা নেওয়ার পরও করোনা সংক্রমণের শঙ্কা

করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড টিকার কোভিশিল্ড টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার ন্যূনতম ১৪ দিন পর থেকে সর্বোচ্চ প্রতিরোধসক্ষমতা তৈরি হয়। এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এ তথ্য জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাই টিকা নেওয়ার কারণে কোভিড-১৯ শনাক্তের পরীক্ষায় ‘পজিটিভ’ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে তাই করোনার টিকা নেওয়ার পরও মাস্ক ব্যবহারসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর।
 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে। বাংলাদেশে এখন করোনার যে টিকা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি কোভিশিল্ড।
 
দেশে গণটিকাদান শুরু হয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৪০ লাখ ৫৭ হাজার ৯০৫ জন। আর গতকাল পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন মোট ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জন। এর মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা পাওয়া গেছে ৬৯৬ জনের মধ্যে। কোনো টিকাগ্রহীতার ক্ষেত্রে তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
 
শুরুর দিকে টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে লোকজনের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে লোকজনের ভয় কাটছে।
 
দেশে এই টিকা নেওয়ার পর এ পর্যন্ত তিনজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তারা টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার সাত থেকে ১৬ দিনের মধ্যে আক্রান্ত হন।
 
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ১ হাজারের বেশি হাসপাতালে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ হাসপাতালে একাধিক বুথে টিকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বুথের দিনে ১৫০ থেকে ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে। কোনো হাসপাতালে এক দিনে কতজনের টিকা দেওয়া হবে, সেটি নির্ভর করে বুথের সংখ্যার ওপর।

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য এর আরো খবর