আজ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। তবে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরতে রাজি হলেই কেবল বাংলাদেশ তাদের পাঠাবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্পষ্ট বলেছে, কাউকে জোর করে পাঠানো হবে না।

এরআগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসন চেষ্টার প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়। এরপর মিয়ানমার আজ আবারও প্রত্যাবাসন শুরুর দিন ঠিক করেছে।

জানা গেছে, প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে পাঠানো তিন হাজার ৪৫০ জনের মধ্যে ১৫টি পরিবারের ৪৭ জনের নাম দুইবার করে আছে। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী এক হাজার ৩৮টি পরিবারের তিন হাজার ৩৯৯ জন রোহিঙ্গার সম্মতি যাচাইয়ের জন্য গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে। সেই যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর গত দুই দিনে বেশির ভাগই বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমারে ফিরতে আগ্রহী হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে প্রত্যাবাসন শুরু করা যাবে কি না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দেখতে ঢাকায় মিয়ানমার ও চীন দূতাবাসের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ভারতও।

তালিকায় থাকা রোহিঙ্গাদের অনেকে ফিরতে যেমন অনীহা প্রকাশ করেছে তেমনি অনেকেই ফিরতে আগ্রহী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, রোহিঙ্গাদের অনেকেই ফিরতে চায়।

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার বলছে, তারাও পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরাও পুরোপুরি প্রস্তুত। মিয়ানমার যখন চায়, আমরা সঙ্গে সঙ্গে দিয়ে দেব। যতজনকে চায় আমরা ততজনকে দিয়ে দেব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রায় ৫০ হাজারের তালিকা দিয়েছি। তারা মাত্র তিন হাজার ৪৫০ জনের নাম পাঠিয়েছে। শুরু করুক। আমরা চাই, একটু তাড়াতাড়ি যাক। কারণ না গেলে তাদের ভবিষ্যৎ খুব সুখের হবে না এবং এই অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত হবে। শান্তি ছাড়া আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব না।’

সর্বশেষ সংবাদ

পররাষ্ট্র ও বাংলাদেশ এর আরো খবর