কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

ইদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির কাঁচা চামড়ার দাম রাজধানীতে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও ঢাকার বাইরে ২৮ থেকে ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। পশুর লবণযুক্ত চামড়ার এ মূল্য প্রযোজ্য হবে।
 
রবিবার (২৬ জুলাই) ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত জুম প্ল্যাটফর্ম সভার শুরুতে তিনি এ কথা জানান।  
 
সভায় কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ, ক্রয় বিক্রয়, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, মজুদ, চামড়ায় লবণ লাগানো ও মিডিয়ায় প্রচারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 
 
গত বছর এ দাম ছিল যথাক্রমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ও ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। সে হিসেবে দাম কমেছে ঢাকায় ১০ টাকা ও ঢাকার বাইরে ৮ টাকা।
 
এসময় সভায় বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব শরিফা খানম, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক সসিতির প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব হোসেনসহ অন্য ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর ঢাকাতে গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা  ও ঢাকার বাইরে ২৮ থেকে ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৩ থেকে ১৫ টাকা ও বরকির চামড়া ১০ থেকে ১২ টাকা ধরা হয়েছে। চামড়া নিয়ে যদি কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তাহলে প্রয়োজনে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
 
তিনি বলেন, কাঁচা চামড়া পরিবহনে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
 
টিপু মুনশি বলেন, এবারও যদি চামড়ার দামে সমস্যা দেখা যায় তাহলে কাঁচা চামড়া ও ওয়েট-ব্লু লেদার বা আংশিক প্রক্রিয়াজাত চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হবে। এবার যেন কিছুটা দাম পাওয়া যায় সেজন্য কাঁচা চামড়া ও ওয়েট-ব্লু লেদার বা আংশিক প্রক্রিয়াজাত চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনই রপ্তানির ঘোষণা দেয়া হয়নি। বরং চামড়া নিয়ে যদি গতবারের মতো সমস্যা হয় তাহলে রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হবে। এজন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি রপ্তানির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

অর্থ ও বাণিজ্য এর আরো খবর