আজ বাবা দিবস

পরম আশ্রয়ের চরম ছায়া। তিনি আগলে রাখেন আমাদের। সকল কষ্টকে নিজের সহ্যের সীমার মধ্যে নিয়ে ভালোবাসা ও স্নেহের কোনো কমতিই উপলব্ধি করতে দেন না আমাদের।

পৃথিবীর সকল লয় থেকে একমাত্র রক্ষা কবচ। যে রক্ষা কবচ আছে বলেই আজ মানব সন্তান এত লালিত পালিত হয়ে ধরণী জুড়ে প্রাণচঞ্চল হয়ে পদচিহ্ন ফেলছে। যার দরাজ কন্ঠের ডাকে দরজায় পাশে দাঁড়িয়ে উঁকি দেয় সকল মানবসন্তান। যিনি কোনো প্রতিদানের জন্য ভালোবাসেন না। ভালোবাসেন আত্মার টানে, ভালোবাসার স্নেহের আবেশে, ভালোবাসেন কর্তব্যের চেয়ে অধিকারের পরশে, ভালোবাসেন অভিভাকত্বের সুরে। তিনি হচ্ছেন একমাত্র বাবা।

জুনের তৃতীয় রোববার আজ বাবা দিবস। কিন্তু বাবার জন্য কি আদতে কোনো দিবসের দরকার আছে। এ নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক রয়েছে। কেউ কেউ বলে থাকেন, বাবা দিবসটা ঠিক আমাদের জন্য নয়। এটি মূলত পাশ্চাত্যের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে বাবা দিবস পালিত হচ্ছে।

বাবা। মধুর এক শব্দে পৃথিবী জোড়া নির্ভরতা যুক্ত। প্রতিটি মানবসন্তান এ নির্ভরতার ছায়ায় জীবনভর থাকতে চান। বাবার হাতের কড়ে আঙ্গুলটা ধরেই না পথ চলা শুরু। বাবার হাত ধরেই গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে গ্রাম্য মেলায় প্রথম যাওয়া হয় সন্তানের। বাবার হাত ধরেই শত ভীড়ে রঙ্গিন পৃথিবী চিন্তামুক্তভাবে আবিষ্কার করা হয়, হারিয়ে যাওয়ার নেই কোনো ভয়; বাবার আঙ্গুল যে আছে হাতের মুঠোয়। সবে মাত্র হাটতে শেখা সন্তান বাড়ির বাইরে প্রথম পা ফেলে বাবা হাত ধরে। বাইরে গিয়ে ছোট্ট অচেনা চোখে ঠেকেছে হাজার হাজার অচেনা-অজানা কত কি…। বাবা ওটা কি, ওটা কি বাবা? ওই যে ওইটা, দেখ দেখ বাবা, এই তো গেল! পৃথিবীর সব কিছুই বাবা আঙ্গুল উঁচু করে চিনিয়ে দেন। শুরু হয় সন্তানের অবিরল পথচলা।

সর্বশেষ সংবাদ